Fight

মাছ ধরা নিয়ে হাতাহাতি

কোচবিহারের প্রায় ৫৪৯ কিলোমিটার এলাকায় বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। সেই সীমান্তের বেশির ভাগই কাঁটাতারে ঘেরা। কিছু অংশে এখনও কাঁটাতার দেওয়া হয়নি। সেই অংশের কিছু এলাকায় রয়েছে নদীপথ।

Advertisement
নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৫ ০৭:১৩

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

কাঁটাতারের ও পারে চাষের খেত। খেত ঘেঁষেই নদী। শনিবার বিকেলে কোচবিহারের সিতাইয়ের চামটার গিরিধারী এলাকায় ওই নদীতে কয়েক জন স্থানীয় বাসিন্দা মাছ ধরতে নামেন। কয়েক হাত দূরেই বাংলাদেশ। সে দিক থেকেও মাছ ধরতে ওই নদীতে নেমেছিলেন কয়েক জন। অভিযোগ, বাংলাদেশের বাসিন্দারা ভারতীয়দের নদীতে মাছ ধরতে বাধা দেন। তা নিয়ে শুরু হয় বচসা। যা এক সময়ে হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। পরে বিএসএফ (বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স) এবং বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। দু’পক্ষের সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর মধ্যে এই বিষয়ে পরে ‘ফ্ল্যাগ মিটিং’ও হয়। বিএসএফের গুয়াহাটি রেঞ্জের এক কর্তা বলেন, ‘‘বিষয়টি ফ্ল্যাগ মিটিং করে মিটিয়েনেওয়া হয়েছে। আপাতত এলাকা শান্ত রয়েছে।’’

Advertisement

কোচবিহারের প্রায় ৫৪৯ কিলোমিটার এলাকায় বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। সেই সীমান্তের বেশির ভাগই কাঁটাতারে ঘেরা। কিছু অংশে এখনও কাঁটাতার দেওয়া হয়নি। সেই অংশের কিছু এলাকায় রয়েছে নদীপথ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সীমান্তের ‘জ়িরো লাইনে’ ভারতীয় ভূখণ্ড দিয়ে বয়ে যাওয়া গিরিধারী নদীতে মাছ ধরছিলেন বাংলাদেশের কালীগঞ্জ উপজেলার লোহাকুচি সীমান্তের কয়েক জন বাসিন্দা। তার কাছেই ভারতীয় ভূখণ্ডে মাছ ধরছিলেন সিতাইয়ের বাসিন্দারা। তখনই দু’পক্ষে বচসা, হাতাহাতি হয়।

কিছু দিন আগে মেখলিগঞ্জের চ্যাংরাবান্ধায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া নিয়ে বাংলাদেশিদের বাধার মুখে পড়তে হয় ভারতীয়দের। যা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। সীমান্তের জ়িরো লাইনে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার দাবি তুলেছেন কোচবিহারের তৃণমূল সাংসদ জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়াও। তিনি বলেন, ‘‘আমরা বার-বার জ়িরো লাইনে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার দাবি জানিয়েছি। তাশোনা হয়নি।’’

Advertisement
আরও পড়ুন