viral video

মাছ চুরির অভিযোগে মহিলাকে গাছে বেঁধে প্রকাশ্যে চড়-থাপ্পড়! ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গ্রেফতার ৪

ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, এক মহিলাকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে এবং প্রচুর লোকজন জড়ো হয়েছে। এক জন পুরুষকে ভিড়ের মধ্যে বার বার তাঁকে চড় মারতে দেখা গিয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২০ মার্চ ২০২৫ ১৬:৩১
woman accused of stealing fish being tied to a tree

ছবি: এক্স থেকে নেওয়া।

মাছ চুরির অভিযোগে এক মহিলাকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠল কর্নাটকে। কর্নাটকের উদুপি জেলার মালপে বন্দর এলাকায় মাছ চুরির অভিযোগে এক মহিলাকে গাছে বেঁধে মারধর করার ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। ভিডিয়োটি দেখে নড়চড়ে বসেছে প্রশাসনও। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমসূত্রে খবর। যদিও সেই ভাইরাল ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম।

Advertisement

ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, মহিলাকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। প্রচুর লোকজন জড়ো হয়েছেন সেখানে। এক জন পুরুষকে ভিড়ের মধ্যে বার বার ওই মহিলাকে চড় মারতে দেখা গিয়েছে। উদুপির পুলিশ সুপার অরুণ কে জানিয়েছেন, মাছ চুরিতে অভিযুক্তের নাম লক্ষ্মীবাই। তিনি বিজয়নগর জেলার বাসিন্দা। স্থানীয়েরা তাঁর বিরুদ্ধে মাছ চুরির অভিযোগ এনেছেন। ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এই ঘটনার নিন্দা করে মুখ্যমন্ত্রী এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “কারণ যা-ই হোক না কেন, এক জন মহিলার হাত-পা বেঁধে এ ভাবে নির্যাতন করা কেবল অমানবিকই নয়, বরং গুরুতর অপরাধও। কর্নাটকের মতো সভ্য রাজ্যে এই ধরনের বর্বর আচরণ শোভনীয় নয়। চুরি, প্রতারণা এবং জালিয়াতিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমাদের একটি পুলিশ বিভাগ এবং একটি আইনি ব্যবস্থা রয়েছে।” পুলিশকে এই ঘটনার যথাযথ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এঁদের মধ্যেই এক জন মহিলাকে চড় মারছিলেন। ভিডিয়ো দেখে অন্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে পুলিশ। ভিডিয়োটি এক্স হ্যান্ডলে ‘হেট ডিক্টেটর’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিয়ো দেখে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীরাও।

Advertisement
আরও পড়ুন