নীতীশ রেড্ডি। — ফাইল চিত্র।
সিডনি টেস্টে হার এবং অস্ট্রেলিয়ার কাছে বর্ডার-গাওস্কর ট্রফি খোয়ানোর পরেই নির্দেশ দিয়েছিলেন গৌতম গম্ভীর। প্রত্যেককে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার কথা বলেছিলেন। অস্ট্রেলিয়া থেকে ফিরেই ঘরোয়া ক্রিকেটে নেমে পড়লেন অনেকে। যাঁদের দল বিজয় হজারে ট্রফির নকআউটে খেলবে তাঁরা সেই প্রতিযোগিতাতেই নামবেন। বাকিরা খেলবেন রঞ্জিতে। তবে ভারতীয় দলের কমবয়সি ক্রিকেটারদের মধ্যে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার উৎসাহ দেখা গেলেও বড়দের এখনও হেলদোল নেই।
কর্নাটকের প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, দেবদত্ত পাড়িক্কল, তামিলনাড়ুর ওয়াশিংটন সুন্দর, বাংলার অভিমন্যু ঈশ্বরনেরা খেলবেন বিজয় হজারেতে। বৃহস্পতিবার থেকে বরোদায় শুরু হচ্ছে নকআউট। তবে কর্নাটকের কেএল রাহুল বিশ্রাম চেয়েছেন। তাই বিজয় হজারেতে খেলবেন না। রঞ্জিতে খেলবেন কি না তা পরে জানানো হবে।
তামিলনাড়ু যদি বিজয় হজারের সেমিফাইনালে যায় তবেই ওয়াশিংটন খেলবেন। প্রসিদ্ধ এবং দেবদত্ত ১০ জানুয়ারি দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। পরের দিনই তাঁদের ম্যাচ। বুধবার অস্ট্রেলিয়া থেকে ভারতে রওনা দিয়েছেন ক্রিকেটারেরা।
নীতীশ রেড্ডির দল অন্ধ্রপ্রদেশ বিজয় হজারের নকআউটে ওঠেনি। ফলে তিনি সরাসরি রঞ্জিতেই নামবেন। রঞ্জিতে অন্ধ্রের দু’টি ম্যাচ বাকি। প্রতিটি দলেরই একাধিক ম্যাচ বাকি রয়েছে। কিন্তু বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, শুভমন গিল, ঋষভ পন্থেরা রাজ্য দলের হয়ে খেলবেন কি না সে ব্যাপারে এখনও কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। জসপ্রীত বুমরাহের চোট থাকায় তাঁর খেলার সম্ভাবনা কম।
সিডনিতে হারের পরেই গম্ভীর বলেছিলেন, “আমি সব সময় চাই সবাই ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলুক। ঘরোয়া ক্রিকেটকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত। স্রেফ একটা ম্যাচ নয়। যারা আরও বেশি খেলতে পারবে এবং যাদের লাল বলের ক্রিকেটের প্রতি দায়বদ্ধতা রয়েছে তাদের সকলের খেলা উচিত। যদি আপনি ঘরোয়া ক্রিকেটকে গুরুত্ব না দেন, তা হলে টেস্ট ক্রিকেটে খেলার মতো ক্রিকেটার খুঁজে পাবেন না।”
কোচের পরেই প্রাক্তন ক্রিকেটার সুনীল গাওস্কর বলেছিলেন, “আগামী ১৫ দিনের মধ্যে ঘরোয়া ক্রিকেট রয়েছে। কোচ যা চাইছে, তা হবে কি না তখনই দেখা যাবে। কোনও কোনও ক্রিকেটার ভেবে নিয়েছে, দলে তাদের জায়গা কখনও যাবে না। যা খুশি হয়ে যাক তাদের বাদ দেওয়া যাবে না। দেখা যাক তারা কোচের কথা শোনে কি না।”