চুলের যত্ন নেবেন কী ভাবে? ছবি: সংগৃহীত।
মানসিক চাপ, অস্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, রাসায়নিক প্রসাধনীর ব্যবহার ও মাত্রাছাড়া দূষণে চুলের ক্ষতি হচ্ছে। শুধু তো চুল পড়া নয়, অকালে চুল পেকে যাওয়ার সমস্যাতেও জেরবার অনেকে। বয়স হওয়ার আগেই গোটা মাথায় ঢেউখেলানো কালো চুল সাদা হয়ে যেতে শুরু করে। নিয়মিত রং করালে চুলের মান খারাপ হয়। খুশকিও চুলের যম। তাই সাধারণ শ্যাম্পু মেখেও বিশেষ লাভ হবে না। তবে কেশচর্চা শিল্পীরা বলছেন, চুলের সমস্যা আছেই। তবে অতিরিক্ত যত্নআত্তি করতে গিয়েও অনেক সময়ে আমরা অজান্তেই চুলের ক্ষতি করে ফেলি। আগে সে বিষয়ে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
১) গরম জলে চুল ধুচ্ছেন?
সারা বছরই গরম জলে স্নান করা অভ্যাস। কিন্তু গায়ের সঙ্গে সমানতালে মাথাতেও গরম জল দিলে চুল শুষ্ক হয়ে যাবে। ফলে পিএইচের সমতা নষ্ট হবে। খুশকিজনিত সমস্যা বাড়বে।
২) রোজ শ্যাম্পু করছেন?
কাজেকর্মে রোজই বাইরে বেরোতে হয়। মাথার ত্বকে ধুলোময়লা যাতে না জমে, তাই বাড়ি ফিরে প্রতি দিনই শ্যাম্পু করেন। রাসায়নিক দেওয়া শ্যাম্পু অতিরিক্ত ব্যবহার করলে সেবাম ক্ষরণের পরিমাণ কমে যাবে। মাথার ত্বক আরও রুক্ষ হয়ে পড়বে।
৩) কন্ডিশনার বাদ দিয়েছেন?
শ্যাম্পু করার পর কন্ডিশনার মাখলেও অনেকের চুল পড়ে। সেই ভয়ে অনেকেই চুল ধোয়ার পর এই ধাপটি বাদ দিয়ে দেন। আর ভুলটা হয় সেখানেই। কন্ডিশনার ব্যবহার না করলে চুলে জট পড়বে এবং তা সহজে ছাড়ানো যাবে না। চিরুনি দিয়ে টানাটানি করলে উল্টে চুল ঝরার পরিমাণ বেড়ে যাবে।
৪) রোজ ড্রায়ারে চুল শুকোচ্ছেন?
প্রতি দিন হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল শুকোনোর অভ্যাস মোটেই ভাল নয়। হেয়ার ড্রায়ারের গরম হাওয়া মাথার ত্বকেরও ক্ষতি করে। চুলের গোড়া আলগা হয়ে যায়। বেশি রোদ লাগলেও বিপদ আছে। তার চেয়ে বরং ভিজে চুল খোলা হাওয়ায় শুকিয়ে নিন। সেটিই সব দিক থেকে ভাল।
৫) খুশকিনাশক শ্যাম্পু ব্যবহার করছেন?
মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখতে শ্যাম্পু করছেন। ঘন ঘন শ্যাম্পু করায় মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ছে। সেখান থেকে খুশকির বাড়বাড়ন্ত হচ্ছে। তা ঠেকিয়ে রাখতে আবার খুশকিনাশক শ্যাম্পু করছেন। এতেও চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।