Homemade Toner for Dry Skin

চা, মধু, গ্লিসারিন, ডাবের জল, শসার রস দিয়ে তৈরি করে ফেলা যায় টোনার! কী ভাবে জেনে নিন

টোনার হিসাবে শসার রস, ডাবের জল ব্যবহার করাই যায়। আজকাল আবার মুখে চায়ের লিকার মাখারও চল হয়েছে। তবে ত্বক যদি খুব শুষ্ক হয়, কিংবা কালচে দাগছোপ তোলার চিন্তা থাকে, সে ক্ষেত্রে শুধু শসার রসে কাজ হবে না।

Advertisement
আনন্দবাজার অনলাইন ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৫ ১৩:১৩
টোনার মাখলে ত্বকের শুষ্ক ভাব দূর হবে?

টোনার মাখলে ত্বকের শুষ্ক ভাব দূর হবে? ছবি: সংগৃহীত।

টোনারের কাজ ঠিক কী?

Advertisement

তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। মূলত ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখাই টোনারের কাজ। রোদ থেকে ফিরে এসে মুখের জ্বালাপোড়া, প্রদাহজনিত অস্বস্তি দূর করতেও অনেকে মুখে টোনার মাখেন। বাজারচলতি টোনার মন্দ নয়। তবে ত্বকচর্চার ক্ষেত্রে অনেকে ঘরোয়া উপাদানের উপর ভরসা করেন। টোনার হিসাবে শসার রস, ডাবের জল ব্যবহার করাই যায়। আজকাল আবার মুখে চায়ের লিকার মাখারও চল হয়েছে। তবে ত্বক যদি খুব শুষ্ক হয়, কিংবা কালচে দাগছোপ তোলার চিন্তা থাকে, সে ক্ষেত্রে শুধু শসার রস, চা কিংবা ডাবের জলে কাজ হবে না। জেনে নিন কার সঙ্গে কী মেশালে কাজ হবে দ্রুত।

১) ক্যামোমাইল টি এবং মধু:

যাঁদের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক, তাঁদের জন্য ক্যামোমাইল টি এবং মধু দিয়ে তৈরি টোনার ম্যাজিকের মতো কাজ করে। ত্বকের প্রদাহজনিত সমস্যা দূর করতেও এই টোনারের জুড়ি মেলা ভার। বিশেষ এই টোনার তৈরি করাও খুব কঠিন নয়। ৩ কাপ জল ফুটিয়ে তার মধ্যে ২ চা-চামচ ক্যামোমাইল টি দিয়ে দিন। গ্যাস বন্ধ করে পাত্রের মুখ ঢাকা দিয়ে রাখুন বেশ কিছু ক্ষণ। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় পৌঁছোনো পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এ বার সামান্য একটু মধু মিশিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন। মুখ ধুয়ে টোনারের মতো সারা মুখে স্প্রে করে নিন। ব্যবহার করার আগে প্রতি বার ভাল করে ঝাঁকিয়ে নেবেন।

২) ভিটামিন ই এবং গ্রিন টি:

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে গেলে বিপাকহার ভাল হওয়া চাই। সেই কাজে সাহায্য করে গ্রিন টি। তাই স্বাস্থ্যসচেতনদের মধ্যে গ্রিন টি-র জনপ্রিয়তা দিনে দিনে বাড়ছে। তবে ত্বকের ময়েশ্চার ধরে রাখতেও গ্রিন টি দারুণ কাজ করে। তবে সঙ্গে যদি ভিটামিন ই অয়েল মিশিয়ে নেওয়া হয়, তাতে কাজ হবে বেশি। গ্রিন টি ফুটিয়ে, ছেঁকে ঠান্ডা করে নিন। স্প্রে বোতলে ভরে তার মধ্যে দু’টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল ভেঙে অয়েলটা মিশিয়ে নিন। মুখ ধুয়ে স্প্রে করে নিন এই টোনার।

৩) শসার রস এবং অ্যালো ভেরা:

একটি শসা গ্রেট করে হাত দিয়ে চিপে তা থেকে রস বার করে নিন। ভাল করে ছেঁকে স্প্রে বোতলে ভরে ফেলুন। তার সঙ্গে মিশিয়ে নিন অ্যালো ভেরা জেল। ভাল করে ঝাঁকিয়ে নিন। মাইল্ড কোনও ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে শসার টোনার স্প্রে করে নিন। ত্বকের প্রদাহ নিরাময় হবে। আর্দ্রতাও বজায় থাকবে।

৪) ডাবের জল এবং কাঁচা দুধ:

টোনার মেখেই মুখের কালচে দাগছোপ দূর হবে। ডাবের জল এবং কাঁচা দুধ সম পরিমাণে মিশিয়ে বানিয়ে ফেলুন টোনার। ভাল করে মিশিয়ে মুখে স্প্রে করুন। শুষ্ক ত্বকের অস্বস্তি দূর হবে। ত্বক মসৃণ হবে। নিয়মিত ব্যবহারে জেল্লাও ফিরে আসবে।

৫) গোলাপজল এবং গ্লিসারিন:

চামড়া যদি অতিরিক্ত শুষ্ক হয়, সে ক্ষেত্রে গোলাপজলের সঙ্গে গ্লিসারিন মিশিয়েও টোনার তৈরি করে ফেলতে পারেন। এক কাপ গোলাপজল নিলে আধ কাপের থেকে সামান্য পরিমাণে কম গ্লিসারিন নিন। ভাল করে দু’টি উপাদান মিশিয়ে ফেলুন। স্প্রে বোতলে ভরে নিন। প্রয়োজন অনুযায়ী মুখে স্প্রে করে নিলেই হল।

Advertisement
আরও পড়ুন