নিজেদের লোক বসিয়ে অনেক সমবায়ে পরিবারের মৌরসি পাট্টা কায়েম করার অভিযোগ উঠেছে। এই অবস্থায় খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক অনুরোধ জানালেন, রাজ্যের সমবায় সংস্থাগুলোকে যেন ‘পারিবারিক সম্পদ’-এ পরিণত করা না-হয়।
মঙ্গলবার সমবায় সপ্তাহ উপলক্ষে নজরুল মঞ্চে এক অনুষ্ঠানে এই মর্মে আবেদন জানান খাদ্যমন্ত্রী। কেন তিনি এমন অনুরোধ করছেন, তার ব্যাখ্যাও দেন জ্যোতিপ্রিয়বাবু। তিনি বলেন, “রাজ্যের বেশ কয়েকটি সমবায়ের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ আছে। তাঁদের কাছে অনুরোধ, পরিচালন কমিটিতে নিজের পরিবারের লোক বসিয়ে সমবায়কে পারিবারিক সম্পদে পরিণত করবেন না। বাইরের লোকজনকে সুযোগ করে দিন।” খাদ্যমন্ত্রী জানান, সমবায়ের মাধ্যমে এ বার রেশন ডিস্ট্রিবিউটর নিয়োগ করা হবে। সেই সঙ্গে জঙ্গলমহলে এবং বন্ধ চা-বাগানের বাইরে রেশন দোকান খোলার ব্যবস্থা করছে খাদ্য দফতর। ২২ নভেম্বর জঙ্গলমহলে ধান কিনতে শুরু করবে তারা। এবং ধান কেনার ক্ষেত্রেও সমবায় সমিতিকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। খাদ্যমন্ত্রী জানান, এই বিষয়ে তিনি খুব শীঘ্রই সমবায়মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।
সমবায়মন্ত্রী জ্যোতির্ময় করও এ দিনের অনুষ্ঠানে ছিলেন। কোনও কোনও সমবায়কে পারিবারিক সম্পদে পরিণত করার চেষ্টা চলছে বলে খাদ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে যে-ইঙ্গিত করেছেন, সেই বিষয়েও কিছু বলেননি জ্যোতির্ময়বাবু। অনুষ্ঠানে ছিলেন কারামন্ত্রী হায়দার আজিজ সফি। ওই অনুষ্ঠানেই পশ্চিমবঙ্গ সমবায় ইউনিয়নের তরফে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে এক কোটি ৩৮ লক্ষ টাকারও বেশি অর্থ দান করা হয়।