প্রতীকী ছবি।
সপ্তাহখানেক আগের ঘটনা। মোবাইলে গেম খেলা নিয়ে দাদা ও মা আপত্তি করায় তাঁদের ধারাল অস্ত্র দিয়ে কোপায় বছর একুশের যুবক চন্দ্রকান্ত মণ্ডল। পরে নিজেও বিষ খান তিনি। দাদা ও চন্দ্রকান্ত মারা যান। চণ্ডীপুরের ওই ঘটনার পর প্রায় একই ছবি দেখা গেল বেলদায়। গেম খেলার জন্য মোবাইল ফোন না কিনে দেওয়ায় বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করল এক কিশোর। মৃত আকাশ সাউ (১৩)-এর বাড়ি বেলদা থানার চরাই গ্রামে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সপ্তম শ্রেণির পড়ুয়া আকাশ লকডাউনে বাড়িতে থাকার কারণে পাড়ার বন্ধুদের মোবাইলে মাঝেমধ্যে গেম খেলত। কিন্তু বন্ধুদের ভিড়ে সব সময় খেলার সুযোগ না থাকায় মাঝে মধ্যেই সে বাড়িতে স্মার্ট ফোন কিনে দেওয়ার বায়না করত। শনিবার বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে গেম খেলে বাড়ি ফিরে সে স্মার্ট ফোন কিনে দেওয়ার জন্য মাকে জোরাজুরি করলে বাবা তাকে বকাবকি করেন। কোনও মতেই তাকে মোবাইল ফোন কিনে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়। এর পরেই রাগে বাড়িতে থাকা কীটনাশক খায় আকাশ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাতেই এগরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। রবিবার সেখানে তার মৃত্যু হয়।
এ দিন আকাশের বাবা জানান, গেম খেলার জন্য ছেলে বার বার মোবাইল ফোন কিনে দিতে বলত। তিনি রাজি হননি। তাতেই রাগে বিষ খায় ছেলে। এগরা থানার পুলিশের দাবি, মোবাইল ফোন না কিনে দেওয়াতেই ওই কিশোর বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে। দেহ ময়না-তদন্তে পাঠানো হয়েছে।