—নিজস্ব চিত্র
আম জনতার হেঁশেলে চাপ বাড়িয়ে খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিকোচ্ছে ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে। সাধারণ মানুষকে কিছুটা সুরাহা দিতে সরকারি ভর্তুকিতে ৫৯ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়েছে সুফল বাংলায়। সোমবার থেকে রেশন দোকানেও একই দামে পেঁয়াজ দেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে বোলপুরে, সুফল বাংলার স্টল থেকে এ দিন পেঁয়াজ লুট হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বোলপুর গীতাঞ্জলি প্রেক্ষাগৃহের পিছনে সুফল বাংলার স্টল। রাজ্য সুফল বাংলার অধিকর্তা গৌতম মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘ওখানে এ রকম কিছু একটা হয়েছে বলে শুনেছি। পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে ডায়েরি করতে বলা হয়েছে ওই স্টলের কর্মীদের।’’ যদিও সোমবার রাত পর্যন্ত স্টলের কর্মীদের পক্ষ থেকে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।
গত শনিবার বোলপুরের ওই স্টল থেকে ৫৯ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়। প্রশাসন সূত্রের খবর, বোলপুরের স্টলে পেঁয়াজ থাকে ১ কুইন্টাল থেকে ১ কুইন্টাল ২০ কেজির মতো। এ দিন সকাল থেকেই পেঁয়াজ কেনার জন্য স্টলের সামনে ছিল ক্রেতাদের লম্বা লাইন। প্রত্যেক ক্রেতাকে প্রথমে ১ কেজি করে পেঁয়াজ দেওয়া হচ্ছিল, পরে ভিড় বেড়ে যাওয়ায় ৫০০ গ্রাম করে পেঁয়াজ দেওয়া হয় বলে ক্রেতাদের দাবি। যা নিয়ে ক্রেতা এবং সুফল বাংলার কর্মীদের মধ্যে বচসা শুরু হয়। ক্রেতারা দাবি জানাতে থাকেন, প্রত্যেককে ১ কেজি করে পেঁয়াজ দেওয়া হোক। একটা সময় পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায় এবং সেই সুযোগে স্টল থেকে ১৫ থেকে ২০ কেজি পেঁয়াজ লুট করা হয় বলে অভিযোগ। সুফল বাংলার কর্মী মহম্মদ মহসিন বলেন, ‘‘পরের দিকে ৫০০ গ্রাম করে পেঁয়াজ দেওয়ায় কিছু ক্রেতা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। বেশ কিছু ক্রেতা পেঁয়াজ না পেলে মারধরের হুমকিও দেন। এর পরেই কিছু লোক য়ে যার মতো পেঁয়াজের প্যাকেট তুলে নেয়।’’ যদিও এ কথা মানতে নারাজ ক্রেতারা। ক্রেতা রাহুল হাজরা, বিপ্লব দাসরা বলেন, ‘‘পেঁয়াজ লুট হতে আমরা দেখিনি। তবে সুফল বাংলার কাউন্টার থেকে জানানো হয়, আর পেঁয়াজ নেই। সব লুট হয়ে গিয়েছে।’’