মোহসিন খান। —ফাইল চিত্র।
এ বারের আইপিএলে ময়ঙ্ক যাদব অনিশ্চিত। তাঁর চোট এখনও সারেনি। সেই জায়গায় কাকে নেওয়া হবে তা ঠিক করে ফেলেছে লখনউ সুপার জায়ান্টস। নিলামে দল না পাওয়া শার্দূল ঠাকুরকে নেবে সঞ্জীব গোয়েন্কার দল।
গত আইপিএলে পেসার ময়ঙ্ক নজর কেড়েছিলেন তাঁর গতির জন্য। কিন্তু খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ হয়নি। চোটের কারণে আইপিএলের মাঝপথেই বাদ পড়েছিলেন। এ বারের আইপিএলের আগেও তিনি ভুগছেন চোটের কারণে। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে (এনসিএ) রয়েছেন ময়ঙ্ক। যদি তিনি পুরোপুরি সুস্থ হতে না পারেন, তা হলে পরিবর্ত হিসাবে শার্দূলকে নেবে লখনউ।
লখনউয়ের প্রথম ম্যাচ ২৪ মার্চ। হাতে এখনও তিন দিন সময় রয়েছে। লখনউ বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচটি বিশাখাপত্তনমে। শার্দূলকে বিশাখাপত্তনমে যেতে বলা হয়েছে। যদি ময়ঙ্ক সুস্থ হতে না পারেন তা হলে সঙ্গে সঙ্গেই মুম্বইয়ের অলরাউন্ডারকে দলে নেবে লখনউ। তাই শার্দূলের নাম ঘোষণা করার আগেই তাঁকে অনুশীলনে ডেকে নিয়েছে তারা।
গত তিন মাস ধরে কোনও ক্রিকেট খেলতে পারেননি মোহসিন। তাঁর পেশিতে চোট রয়েছে। মোহসিন ছাড়াও লখনউ দলে পেসারদের মধ্যে রয়েছেন আকাশ দীপ এবং আবেশ খান। আকাশ এবং মোহসিন জাতীয় অ্যাকাডেমিতে রয়েছেন। আবেশ এখনও দলে যোগ দেননি। মোহসিনের এখন যা অবস্থা তাতে যদি তিনি সুস্থ হয়ে আইপিএলে যোগ দেন, তা হলেও পুরো প্রতিযোগিতা খেলা কঠিন হবে তাঁর পক্ষে।
লখনউ দলে মেন্টর হিসাবে যোগ দিয়েছেন জ়াহির খান। কিন্তু দলের পেসারদের মধ্যে কে কতটা সুস্থ তা নিয়ে খুব বেশি কিছু বলতে নারাজ তিনি। জাহির বলেন, “দলে কয়েক জনের চোট রয়েছে। আমরা ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করছি। পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। কিছু ক্রিকেটার এনসিএ-তে রয়েছে। ফিজ়িয়োদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে। এখন তাদের নিয়ে কিছু বলা ঠিক হবে না।”
শার্দূল দলে যোগ দিলে হয়তো দলের পেস আক্রমণকে নেতৃত্ব দেবেন তিনিই। তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে। সেই সঙ্গে থাকবেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের শামার জোসেফ। লখনউ দলে তিনিই একমাত্র বিদেশি পেসার। দলে রাজবর্ধন হাঙ্গারকর এবং প্রিন্স যাদবের মতো তরুণ পেসারেরাও রয়েছেন।