বন্ধুবান্ধব, অতিথিরা আসার আগে গুছিয়ে নিতে হবে খাওয়ার টেবিল। ছবি: সংগৃহীত।
পুজোর সময়ে বাড়িতে কেউ না কেউ আসবেই। তাই ছুটির দিনে কাজের ফাঁকে কখন কোন কাজটি করবেন, তা ভেবেই রেখেছেন। দরজা-জানলার নতুন পর্দা, টেবিলের উপর পাতার জন্য নতুন ঢাকা, কাচের বাসন— সবই কিনে রেখেছেন। বন্ধুবান্ধব, অতিথিরা আসার আগে গুছিয়ে নিলেই হল। তবে এত কিছু করতে গিয়ে যে দিকে একেবারে নজর পড়ে না, সেটি হল খাওয়ার টেবিল। শুধু টেবিলের উপর নতুন ঢাকা পেতে দামি কিছু কাচের বাসন সাজিয়ে দিলেই তো দেখতে ভাল লাগে না। টেবিল সাজানোর আরও কিছু নিয়ম আছে। কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখলেই বাড়ির খাবার টেবিলও কিন্তু সেজে উঠতে পারে বিলাসবহুল রেস্তরাঁর টেবিলের মতো।
১) টেবিল ক্লথ এবং ম্যাট
টেবিল কাঠের হোক বা কাচের— প্রথমেই তার উপর একটি টেবিল ক্লথ পেতে নিন। টেবিলের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তের মাঝখান দিয়ে পেতে নিন রানার। এই টেবিল ক্লথ এবং রানার যদি সুতির হয়, তবে কাচার পর ইস্ত্রি করে নিলে দেখতে ভাল লাগবে। চেয়ার সঙ্গে টেবিলে বসার জায়গা এবং প্লেটের মাপ বুঝে ওই জায়গায় রাখুন ম্যাট।
২) নানা ধরনের প্লেট
কাচের বড় প্লেট টেবিলের একেবারে সামনে রেখে, আশপাশে প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য ছোট বাটি সাজিয়ে রাখুন। তবে কোনও বাসনই সোজা করে রাখবেন না। খেতে বসার আগে পর্যন্ত তা উল্টে রাখাই দস্তুর। প্লেট যদি সোজা করে রাখতেই হয়, সে ক্ষেত্রে তার উপর কাপড়ের ন্যাপকিন রাখা যেতে পারে।
রেস্তরাঁর মতো টেবিল সাজাতে পারেন বাড়িতেই। ছবি: সংগৃহীত।
৩) টেবিলে মধ্যমণি
বড় টেবিলের একেবারে মাঝে কী রাখছেন, তা-ও খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই টেবিলের মাঝে ফুল দিয়ে সাজানো সুন্দর ফুলদানি রাখেন। কেউ আবার মোমদানি রাখতে পছন্দ করেন। যা-ই রাখুন না কেন, তা যেন পরিবেশের সঙ্গে মানানসই হয়।
৪) কার সঙ্গে কী রাখবেন
টেবিলে কার সঙ্গে কী রাখবেন, তা নির্বাচন করার আগে জানতে হবে মেনু। কী ধরনের খাবার অতিথিদের পরিবেশন করবেন, সেই অনুযায়ী চামচ, কাঁটা, ছুরি সাজিয়ে রাখতে হবে।
৫) কাচের বাসন
কাচের বাসন মানে শুধু প্লেট নয়। তার সঙ্গে ছোট-বড় নানা মাপের বাটি, সার্ভিং বোল থাকে। কী ধরনের খাবার কোন বাটিতে রাখা যায়, সে সব জেনে নিয়ে তবেই টেবিল সাজান। সঙ্গে কাচের গ্লাস এবং পানীয়ের পাত্রও রাখা যেতে পারে।