সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি।
নিজেদের শক্তি নেই। তাই অন্যের হাত ধরা ছাড়া উপায় নেই। লোকসভা নির্বাচন, তার আগে চার রাজ্যে বিধানসভা ভোটে কোন রাজ্যে কোন দলের সঙ্গে কী ধরনের সমঝোতা হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করে দিল সিপিএম। রাজ্য কমিটিগুলিকে পলিটব্যুরোর নির্দেশ, ২৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজ্য স্তরে বিজেপি-বিরোধী দলগুলির সঙ্গে কথা বলে পলিটব্যুরোকে প্রস্তাব জানাতে হবে। সেদিন পলিটব্যুরোয় আলোচনার পরে ৫ থেকে ৭ অক্টোবর কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিদ্ধান্ত হবে।
দেড় দিনের পলিটব্যুরো বৈঠকের পরে আজ সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, ‘‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য হল, ২০১৯-এ নরেন্দ্র মোদীকে ক্ষমতায় ফিরতে না দেওয়া। তাই বিজেপি-বিরোধী ভোটকে যত বেশি সংখ্যায় সম্ভব এক বাক্সে এনে ফেলতে হবে।’’ কিন্তু এই নীতির সঙ্গেই খাপ খাওয়াতে পারছে না পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য কমিটি। কারণ বিজেপিকে হারাতে সিপিএমকে তৃণমূলকে সমর্থন করতে হয়। উল্টে পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলকে হারাতে সিপিএম বিজেপিকে সাহায্য করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইয়েচুরি বলেন, ‘‘আমাদের স্লোগান হল, মোদী হঠাও, দেশ বাঁচাও, তৃণমূল হঠাও, বাংলা বাঁচাও।’’ কংগ্রেসের সঙ্গে ফের জোট হবে কি না, তা নিয়ে আলিমুদ্দিনের নেতারা কংগ্রেসের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন।
বিরোধী দলগুলি ফের ব্যালটে ভোটের দাবি তুলতে চাইছে। ইয়েচুরি বলেন, ‘‘আমরা চাই, ব্যালট ফেরানো ফিরিয়ে হবে কি না, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশন সর্বদল বৈঠক ডাকুক।’’