Mind & Body Relaxation Training in Kolkata

অবসাদ মুক্তির সন্ধানে আশুতোষ কলেজের ‘যন্তর মন্তর’ ঘর

হতাশা, অবসাদ দূর করতে শরীরের পেশি কী ভাবে সাহায্য করে, সেই কৌশলই পড়ুয়াদের হাতেকলমে শেখানো হবে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ মার্চ ২০২৫ ১৫:৩০
Share:
Asutosh College Psychology Department Opens Relaxation Lab.

নিজস্ব চিত্র।

অবসাদ এবং দুশ্চিন্তার শিকার বহু পড়ুয়াই। অতিমারি পরবর্তী সময়ে তার প্রভাব কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই, রাজ্যের একটি কলেজে পড়ুয়া এবং শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের স্বার্থে এমন ‘যন্তর মন্তর’ ঘর তৈরি করা হয়েছে, যেখানে মগজধোলাই-এর বদলে এই অবসাদ দূর করা হবে। আশুতোষ কলেজের সাইকোলজি বিভাগের তরফে ‘রিল্যাক্সেশন ল্যাবরেটরি’ নামক ওই ঘরে জ্যাকবসন’স প্রোগ্রোসিভ মাসল রিল্যাক্সেশন (জেপিএমআর)-এর কর্মপদ্ধতি হাতেকলমে পড়ুয়াদের শেখানো হবে।

Advertisement

কলেজের অধ্যক্ষ মানস কবি জানিয়েছেন, জেপিএমআর-এর কর্মপদ্ধতি এবং এর প্রয়োগ কৌশল জানা সাইকোলজি বিভাগের পড়ুয়াদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তাঁরা যাতে হাতেকলমে শিখতে পারে, সেই জন্যই বিশেষ গবেষণাগার তৈরি করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা যথেষ্ট উপকৃত হতে চলেছে।

Asutosh College Psychology Department Opens Relaxation Lab.

আশুতোষ কলেজের সাইকোলজি বিভাগের ‘রিল্যাক্সেশন ল্যাবরেটরি’-র প্রবেশ পথ। নিজস্ব চিত্র।

মানসিক চাপ, উদ্বেগ, অবসাদ কমাতে শরীরের বিভিন্ন পেশির স্ট্রেস দূর করার জন্য জেপিএমআর প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। উল্লেখ্য, এই বিশেষ পদ্ধতি মনোবিদ্যা বিষয়ে স্নাতক স্তরের প্রথম সিমেস্টারে প্র্যাকটিক্যালের নতুন পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই পড়ুয়াদের হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দিতেই ওই ল্যাবরেটরি চালু করা হবে। তাতে বিশেষ চেয়ার, অক্সিমিটারের মতো সামগ্রী রাখা হয়েছে। পড়ুয়াদের হাতেকলমে কাউন্সেলিংয়ের খুঁটিনাটিও শেখানো হবে। গবেষণাগারটি ২৪ জুন থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে চালু করা হতে চলেছে।

Advertisement

তবে, শুধু মনোবিদ্যা বিভাগের পড়ুয়াদের জন্য নয়, কলেজের বিভিন্ন বিভাগের পড়ুয়া এবং অধ্যাপকেরাও এই গবেষণাগারে এসে নিজেদের অবসাদ এবং দুশ্চিন্তা দূর করার জন্য জেপিএমআর-এর সাহায্য নিতে পারবেন। এই প্রসঙ্গে মনোবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রিমঝিম রায় বলেন, “পড়ুয়াদের পাশাপাশি, অধ্যাপক, শিক্ষাকর্মীদের মধ্যেও অতিমারি পরবর্তী সময়ে দুশ্চিন্তা, অবসাদ,হতাশার মতো সমস্যা অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই তাঁদের সহযোগিতা করতে এবং একই সঙ্গে মনোবিদ্যা নিয়ে পাঠরত পড়ুয়াদের সম্পূর্ণ ক্লিনিক্যাল সেটআপের সাহায্যে গবেষণাগারে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ দেবেন বিভাগের অধ্যাপকেরাই।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement