জানুয়ারি-মার্চে দেশে ফ্ল্যাট-বাড়ির বিক্রিবাটা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলে আশঙ্কা। —প্রতীকী চিত্র।
অস্বাভাবিক গতিতে চড়ে যাওয়া দাম এবং আন্তর্জাতিক দুনিয়ায় টালমাটাল পরিস্থিতির কারণে সোমবার শেষ হওয়া অর্থবর্ষের (২০২৪-২৫) চতুর্থ ত্রৈমাসিকে অর্থাৎ জানুয়ারি-মার্চে দেশে ফ্ল্যাট-বাড়ির বিক্রিবাটা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলে আশঙ্কা। অ্যানারক, প্রপটাইগারের মতো বিশেষজ্ঞ সংস্থাগুলি মনে করছে, বিক্রি কমে যাওয়ার ওই হার হতে ২৩-২৮ শতাংশ। তবে সকলেরই আশা, এই পরিস্থিতিতে বাঁচাতে পারে একমাত্র সুদের হার। রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক ফেব্রুারিতে এক দফা সুদ কমিয়েছে। এপ্রিলে ফের কমালে তবেই এপ্রিল -জুন ত্রৈমাসিকে কিছুটা ফিরতে পারে বিক্রির হাল।
অ্যানারকের অনুমান, এপ্রিল-মার্চে দেশের সাত বড় শহরে আবাসন বিক্রি ২৮% কমতে চলেছে। সে ক্ষেত্রে বিক্রির মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ৯৩,২৮০। যা গত বছর একই সময়ে ছিল ১.৩০ লক্ষের বেশি। অন্য দিকে, প্রপটাইগার জানিয়েছে, দেশের ন’টি প্রথম সারির শহরে ওই সময় বিক্রি কমতে পারে ২৩ শতাংশের বেশি। ফলে গত অর্থবর্ষের জানুয়ারি-মার্চের ১.৩৭ লক্ষ থেকে তা নামবে ১.০৬ লক্ষে। এর কারণ হিসেবে চড়া দাম বা বিশ্ব বাজারে অনিশ্চয়তার পাশাপাশি দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার শ্লথ হওয়ার কথাও বলেছে তারা। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, বেশির ভাগ মানুষের হাতে বাড়ি কেনার টাকা নেই। কেউ কেউ হাতে জমানো টাকা খরচ করতে সাহস পাচ্ছেন না। দৈনন্দিন জীবনযাপনের খরচ এতটাই বেড়েছে যে, একাংশ বাড়ি-গাড়ির পিছনে টাকা ঢালাকে অপচয় বলেও মনে করছেন।
অ্যানারকের তথ্য বলছে এই সময় সবচেয়ে বেশি বিক্রি কমেছে হায়দরাবাদে। বেঙ্গালুরুতে বিক্রি কমেছে ১৬%। কলকাতায় বিক্রি কমার হার ৩১%। ৫৬৫০ থেকে তা কমে হয়েছে ৩৯০০।