Advertisement
E-Paper

গুজরাতে সবুজ পাহাড়! ক’জনই বা খোঁজ রাখেন? এই বেলা ভ্রমণ তালিকায় জুড়ে নিন সাপুতারা

মানচিত্র বলছে, গুজরাতের ডাঙ্গ জেলায় রয়েছে সহ্যাদি পর্বতের অংশবিশেষ। সেই পাহাড়ের কোলেই শৈলশহর সাপুতারা।

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক

শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ ০৯:৫৮
গুজরাতের ডাঙ্গ জেলায় রয়েছে সহ্যাদি পর্বত। সেই পাহাড় ঘিরেই গড়ে উঠেছে জনপদ। রয়েছে ঝর্না থেকে হ্রদ।

গুজরাতের ডাঙ্গ জেলায় রয়েছে সহ্যাদি পর্বত। সেই পাহাড় ঘিরেই গড়ে উঠেছে জনপদ। রয়েছে ঝর্না থেকে হ্রদ। ছবি:সংগৃহীত।

সমুদ্র, মন্দির, গিরের অরণ্য, কচ্ছের রান— গুজরাত বললেই মানসপটে ভাসে এমন ছবি। সমুদ্রের তীর ঘেঁষা এই রাজ্য উষ্ণ। ঠান্ডার বালাই নেই। সেই রাজ্যে পাহাড়! অনেকেই ভ্রু কোঁচকাতে পারেন।

কিন্তু মানচিত্র বলছে, গুজরাতের ডাঙ্গ জেলায় রয়েছে সহ্যাদি পর্বতের অংশবিশেষ। সেই পাহাড়ের কোলেই শৈলশহর সাপুতারা। ঘন সবুজ পাহাড়, হ্রদ, ঝর্না— আর পাঁচটা শৈলশহরের মতোই সুন্দর এই স্থান। ডাঙ্গ জেলার আনাচ-কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে পর্যটকদের নজর কাড়ার মতো ঝর্না, নদী। বর্ষায় তা হয়ে ওঠে আরও সুন্দর।

ছবির মতোই সুন্দর জায়গাটি।

ছবির মতোই সুন্দর জায়গাটি। ছবি:সংগৃহীত।

ডাঙ্গ জেলায় যেমন পর্যটক আকর্ষণের স্থল সাপুতারা, তেমনই রয়েছে ডাঙ্গ শৈলশহরও। গুজরাতে একাধিক মন্দির দর্শনে বা কচ্ছে রন দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে পর্যটকেরা আসলেও, অনেকেই এখানকার এই শৈলশহরের নাম জানেন না। সাপুতারা জায়গাটি গুজরাত এবং মহারাষ্ট্রের সীমানায় অবস্থিত। ফলে সাপুতারা ঘোরার পাশাপাশি হাতগড় দুর্গও ঘুরে নিতে পারেন। যদিও এটি মহারাষ্ট্রে পড়ে। তথ্য বলছে, ‘সাপুতারা’ শব্দের অর্থ সর্পের আবাস। যদিও এই শৈলশহর ক্যানভাসে আঁকা ছবির মতোই। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা ১০০০ মিটার। গুজরাতের অন্যত্র বেশ গরম থাকলে কিছুটা উঁচু এবং পাহাড়ি এলাকা বলে আবহাওয়া এখানে মনোরম।

সাপুতারার আকর্ষণ

সাপুতারায় পাহাড়ের মাথায় রয়েছে ভিউ পয়েন্ট। সেখান থেকে ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ পাওয়া যায়। দেখা যায় শৈলশহরের অনেকখানি। উপর থেকেই চোখে পড়বে একাধিক ছোট-বড় জলাশয়।

সাপুতারা হ্রদ: শৈলশহরের অনেকখানি জুড়ে রয়েছে হ্রদ। পাহাড়ের মাথা থেকে সেই হ্রদ দেখায় অপূর্ব সুন্দর।

সাপুতারা হ্রদ।

সাপুতারা হ্রদ।

সানরাইজ় এবং সানসেট পয়েন্ট: যে কোনও পাহাড়ি এলাকা থেকেই সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত সুন্দর দেখায়। এই পাহাড়ি উপত্যকাতেও এমন দু’টি পয়েন্ট রয়েছে।

বাঁসদা জাতীয় উদ্যান: সাপুতারা থেকে প্রায় ৫৮ কিলোমিটার দূরেই রয়েছে বাঁসদা জাতীয় উদ্যান। হায়না, লেপার্ড, চিতল সহ অসংখ্য বন্যপ্রাণী এবং পাখিদের বাসস্থান এই অরণ্য।

ডোন জলপ্রপাত: সাপুতারা থেকে মোটমুটি ৫২ কিলোমিটার দূরে অরণ্যঘেরা স্থানে রয়েছে ডোন জলপ্রপাত। গ্রীষ্মে জল কম থাকলেও বর্ষায় বদলে যায় ভোল। সেই সৌন্দর্য অতুলনীয়। পাহাড়ের মাথা থেকে ধাপে ধাপে নেমে আসে জলপ্রপাত।

ডোন জলপ্রপাত রয়েছে জঙ্গলের গহীনে।

ডোন জলপ্রপাত রয়েছে জঙ্গলের গহীনে। ছবি:সংগৃহীত।

গিরমল: গুজরাতের সুউচ্চ জলপ্রপাত হল গিরমল। ঘন অরণ্যের মধ্যে তার অবস্থান। কার্যত লোকচক্ষুর অন্তরালেই রয়ে গিয়েছে এই সমস্ত স্থান। অতি উৎসাহী পর্যটক ছাড়া এই জায়গাগুলির খোঁজ তেমন কেউ রাখেনও না। অরণ্যের গহীনে ১০০ ফুট উচ্চতা থেকে আছড়ে পড়ছে জল। সাপুতারা থেকে দূরত্ব ৮০ কিলোমিটার।

গিরমল এখানে উচ্চতম জলপ্রপাত।

গিরমল এখানে উচ্চতম জলপ্রপাত। ছবি:সংগৃহীত।

কী ভাবে যাবেন?

গুজরাতের সুরত, মুম্বইয়ের নাসিক থেকে যাওয়া সুবিধাজনক। ট্রেনে হাওড়া বা শালিমার থেকে সুরত বা বিলিমোরা জংশনে নামতে হবে। সুরত থেকে দূরত্ব ১৬০ কিলোমিটার। বিলিমোরা থেকে আরও একটু কাছে হবে। বিমানে নাসিক বা সুরত পৌঁছে বাকিটা সড়কপথে যেতে পারেন।

কোথায় থাকবেন?

সাপুতারায় সরকারি অতিথি আবাস আছে। বেসরকারি হোটেল, লজও রয়েছে থাকার জন্য।

Gujarat tourism Travel Tips Offbeat travel destinations
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy