(বাঁ দিকে) জেনারেল চার্লস কিউ ব্রাউন জুনিয়র। ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডান দিকে)।
পেন্টাগনের অন্দরে ‘অস্থিরতার’ বার্তা গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই দিচ্ছিল আমেরিকার নানা সংবাদমাধ্যম। শেষ পর্যন্ত তা সত্যি প্রমাণিত হল। আমেরিকার সেনা সর্বাধিনায়কের পদ (চেয়ারম্যান, ‘জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ’) থেকে বরখাস্ত করা হল জেনারেল চার্লস কিউ ব্রাউন জুনিয়রকে!
আমেরিকার ইতিহাসে জেনারেল ব্রাউন ছিলেন দ্বিতীয় কৃষ্ণাঙ্গ সেনা সর্বাধিনায়ক। ফলে তাঁকে বরখাস্ত করার বিষয়টি ‘অন্য মাত্রা’ পেয়েছে। ব্রাউনের পাশাপাশি আরও দুই সামরিক কর্তাকেও বরখাস্ত করা হয়েছে বলে প্রকাশিত খবরে দাবি। ট্রাম্প জানিয়েছেন, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ড্যান কেইন ‘জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ’-এর নতুন চেয়ারম্যান হতে চলেছেন। প্রেসিডেন্ট পদে ট্রাম্পের প্রথম বারের মেয়াদে ইরাক-সহ পশ্চিম এশিয়ার দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল কেইন। ব্রাউনের মতো কেইনও আদতে মার্কিন বায়ুসেনার অফিসার।
সেনা সর্বাধিনায়ক বদলের কথা জানিয়ে সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন— ‘‘জেনারেল কেইন দক্ষ পাইলট, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, সফল উদ্যোক্তা এবং যুদ্ধবাজ। তাঁর অভিজ্ঞতাও বিপুল।’’ সাধারণ ভাবে আমেরিকায় সরকার বদল হলেও সেনা সর্বাধিনায়কের মতো পেশাদার পদে পরিবর্তন ঘটানো হয় না। কিন্তু ঘটনাচক্রে ট্রাম্প সরকারের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ সম্প্রতি জেনারেল ব্রাউনের কার্যকলাপে উষ্মা প্রকাশ করে বলেছিলেন, ‘‘ওঁকে বরখাস্ত করা উচিত। কারণ, সেনায় বৈচিত্র, সমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসূচির (ডিইআই) প্রতি তাঁর বেশি মনোযোগ।’’ ঘটনাচক্রে, তার পরেই চাকরি হারালেন মার্কিন সেনার কৃষ্ণাঙ্গ জেনারেল।