বসিরহাট লোকসভায় উপরনির্বাচন চেয়ে মামলা। —ফাইল চিত্র।
বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন চেয়ে মামলা দায়ের হল কলকাতা হাই কোর্টে। বসিরহাটের সাংসদ হাজি নুরুল ইসলামের মৃত্যুর পর থেকে ওই আসনটি সাংসদহীন অবস্থায় রয়েছে। এই অবস্থায় ওই লোকসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের জন্য একটি জনস্বার্থ মামলা করেছেন জনৈক গৌতম রায়। তাঁর বক্তব্য, উপনির্বাচন না-করে ওই এলাকার মানুষদের সাংবিধানিক অধিকার নষ্ট করছে নির্বাচন কমিশন। মামলাকারীর আর্জি, কমিশনকে এই বিষয়ে অবিলম্বে পদক্ষেপের জন্য নির্দেশ দিক আদালত।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তৃণমূলের হাজি নুরুল। জয়ের কয়ের মাসের মধ্যেই গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বরে মৃত্যু হয় সাংসদের। দীর্ঘ দিন ধরে যকৃতের ক্যানসারে ভুগছিলেন তিনি। ৬১ বছর বয়সি সাংসদের মৃত্যুর পর ছ’মাস অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। তবে এখনও বসিরহাটে উপনির্বাচন হয়নি। সাংসদহীন ওই লোকসভা কেন্দ্রে দ্রুত উপনির্বাচনের আর্জিতে এ বার হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারী। তাঁকে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি চৈতালি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। চলতি সপ্তাহেই ওই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
বস্তুত, এ বারের লোকসভা ভোটে বাংলায় অন্যতম আলোচিত কেন্দ্র ছিল বসিরহাট। সন্দেশখালি-বিতর্ককে ঘিরে উত্তাপের আবহেই নির্বাচনে জয়ী হন তৃণমূলের প্রার্থী হাজি নুরুল। তাঁর বিপ্রতীপে বিজেপি প্রার্থী করেছিল সন্দেশখালির রেখা পাত্রকে। তবে নুরুলের কাছে পরাস্ত হন তিনি। ঘটনাচক্রে বসিরহাটের সাংসদের মৃত্যুর পরে গত বছরের অক্টোবরে রাজ্যের ছ’টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন ঘোষণা করেছিল কমিশন। গত নভেম্বরে ছয় বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হয়ে গিয়েছে। তবে বসিরহাট লোকসভার উপনির্বাচনের কোনও দিনক্ষণ ঘোষণা করেনি কমিশন।