T S Sivagnanam

ভোটে যাঁদের প্রাণ গেল তাঁরা তো আর ফিরে আসবেন না, আক্ষেপের সুর হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কণ্ঠেও

বুধবারই প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে দু’হাজার পাতার রিপোর্ট জমা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোঅর্ডিনেটর। সেখানে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার অনলাইন সংবাদদাতা
কলকাতা শেষ আপডেট: ২৬ জুলাই ২০২৩ ১৯:৩২
Chief Justice of Calcutta High Court T S Sivagnanam.

কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। অলঙ্করণ: সনৎ সিংহ।

পঞ্চায়েত ভোটে যে প্রাণগুলি চলে গিয়েছে, তা আর ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। আক্ষেপের সুর কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের গলায়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের হিংসার জেরে হওয়া মৃত্যু নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করে এমনটাই মন্তব্য করেছেন তিনি। বুধবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননা অভিযোগের মামলার শুনানি চলছিল প্রধান বিচারপতির এজলাসে। শুনানি চলাকালীন তিনি মন্তব্য করেন, ‘‘পঞ্চায়েতে যে প্রাণগুলি চলে গেল, তা আর ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না।’’

অন্য দিকে, বুধবারই প্রধান বিচারপতি শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চে দু’হাজার পাতার একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোঅর্ডিনেটর এসসি বুদাকোটি। সেখানে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করা হয়েছে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, কমিশনের তরফে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে স্পর্শকাতর বুথের তালিকা দেওয়া হয়নি। এ ছাড়াও ওই রিপোর্টে একাধিক বিষয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে সহযোগিতা না করার অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে হাই কোর্ট রাজ্য এবং কমিশনকে হলফনামা জমা দিতে বলে। আগামী ১৭ অগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি।

Advertisement

প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েতের মনোনয়ন পর্ব থেকে হিংসার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে ৮ জুলাই, অর্থাৎ ভোটের দিনেই সংঘর্ষে নিহত হন ১৫ জন। পরে ওই দিন সংঘর্ষে জখম আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে হাসপাতালে। অর্থাৎ, ভোটের দিনের সংঘর্ষে এ পর্যন্ত মোট বলি ২২ জন। মনোনয়ন পর্ব থেকে শুরু করে ভোটের আগের দিন পর্যন্ত সংঘর্ষ মারা গিয়েছিলেন ২৩ জন। গণনার দিন বা তার পরের সংঘর্ষে বা হামলায় মৃত্যু ৯ জনের।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
আরও পড়ুন
Advertisement