খাবার প্যাকেটে নানা রঙের চিহ্নের অর্থ কী? ছবি: সংগৃহীত।
মুদিখানার দোকানে রকমারি খাবার কিনতে গিয়ে জিনিসটির মেয়াদ শেষের তারিখ দেখেন। কিন্তু প্যাকেটে থাকা রঙিন চিহ্নগুলি দেখেন কি?
নুডল্স কিনুন বা মেয়োনিজ়, সসের বোতল হোক বা চকোলেট—কখনও চোখে পড়েছে সবুজ চৌকো বক্সের মধ্য সবুজ গোল চিহ্ন বা কিংবা লাল গোল চিহ্ন, বক্সের ভিতরে। কখনও চোখে হয়তো পড়েছে, কিন্তু ভেবে দেখেছেন এর অর্থ কী! কেনই বা এগুলি দেওয়া হয়?
খাবারের প্যাকেটে বিভিন্ন রঙের এবং চিহ্নের ব্যবহার কিন্তু যথেষ্ট অর্থবহ। যেমন ধরুন চকোলেট। চকোলেটে কিন্তু আমিষ উপাদানও ব্যবহার হয় অনেক সময়। যদি কেউ নিরামষাশী হন, তিনি কী ভাবে বুঝবেন চকোলেটে ডিম বা আমিষের ছোঁয়া আছে কি না? উপকরণ দেখে তা বোঝা গেলেও সব সময় সেই তালিকা পড়ে ওঠা সম্ভব হয় না। কিন্তু চকোলেটের মোড়কে থাকা সবুজ চিহ্ন দেখলে কেউ নিশ্চিত হতে পারেন, এটি নিরামিষাশীদের জন্য।
সবুজ চিহ্ন: মেয়োনিজ় হোক বা নুডল্স—প্যাকেটের গায়ে সবুজ চিহ্ন বলে দেবে সেটি নিরামিষ। এতে মাছ, মাংস, ডিমের ছোঁয়া নেই।
লাল চিহ্ন: লাল বক্সের মধ্যে লাল গোল বা ত্রিভুজাকৃতি চিহ্ন বোঝায় খাবারটি আমিষ। মেয়োনিজ় আমিষ এবং নিরামিষ, দু’রকমেরই হয়। একটিতে ডিম থাকে। অন্যটিতে থাকে না। আমিষ মেয়োনিজ়ের কৌটো বা প্যাকেটে লাল চিহ্ন দেখলেই বোঝা যায়।
নীল চিহ্ন: কোনও খাবারের প্যাকেটে নীল চিহ্ন বোঝায় সেটি ডায়াবেটিকদের উপযোগী বা খাবারে চিনির মাত্রা কম রয়েছে। জানা যায়, ‘দি ইউনাইটেড ডায়াবিটিস ফোরাম’ এই রংটি বেছে নিয়েছে ‘ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবিটিস ফেডারেশন’ এই রংটি ব্যবহার করে বলে।
হলুদ: গোলাকার বা অন্য কোনও আকৃতির হলুদ চিহ্ন খাবারের প্যাকেটে থাকলে বুঝতে হবে, সেটি ডিম দিয়ে তৈরি।
কালো: কোনও কোনও প্যাকেটে কালো আয়তাকার চিহ্ন থাকে। এর অর্থ হল খাবারে রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে।