ছবি: বন অ্যাপেতি।
ভাত-রুটি-মাছ-মাংস-তো আছেই। দুপুর বা রাতের খাবার নিয়ে ভাবতে বসলে তার থেকে কিছু একটা বেছে নিয়ে চেনা রেসিপি বানিয়ে নিলেই পেট ভরানোর ব্যবস্থা সম্পূর্ণ। সমস্যা হয় সকাল-বিকেলের জলখাবার কিংবা টিফিন তৈরি করার সময়ে। কারণ এই পর্বের খাবার শুধু পেট ভরানোর নয়, মন ভরানোরও। তাই নিত্যনতুন বিকল্প ভেবে বার করতে হয়। আর তখনই হয় সমস্যা। পাউরুটির দই টোস্ট সেই সমস্যার সমাধান হতে পারে।
জলখাবার অথবা টিফিনবাক্সের মেনু হিসাবে এই খাবার আদর্শ। তার কারণ এর স্বাদ, বানানোর পদ্ধতি এবং বানানোর সময়। অতি অল্প সময়েই তৈরি হয়ে যাওয়া এই খাবার যেমন সুস্বাদু তেমনই এর বানানোর উপকরণ ইচ্ছেমতো বদলে নিয়ে নতুনত্ব আনাও যায়। শিখে নিন, কী ভাবে চটজলদি জলখাবারটি বানাবেন।
উপকরণ:
৪ পিস পাউরুটির স্লাইস
১৫০ গ্রাম টক দই (টাটকা দই নিলে বেশি টক হবে না)
২ টেবিল চামচ ময়দা
১ চা-চামচ হালকা গুঁড়োনো গোলমরিচ
১ চা-চামচ গরম মশলা
২টি লঙ্কা কুচি
২ চা-চামচ ধনেপাতা কুচি
২ টেবিল চামচ পেঁয়াজ কুচি (চাইলে বাদ দিতে পারেন)
২ টেবিল চামচ মিহি করে কুচোনো ক্যাপসিকাম
২ টেবিল চামচ কোরানো গাজর
২ চা চামচ ঘি
স্বাদমতো নুন
স্বাদমতো চিনি
প্রণালী:
পাউরুটির স্লাইস ছাড়া বাকি সমস্ত উপকরণ দইয়ের মধ্যে দিয়ে একটি মিহি মিশ্রণ তৈরি করুন। ময়দা বাদ দেবেন না। তা না হলে টোস্ট বানাতে অসুবিধা হতে পারে।
পাউরুটির এক একটি স্লাইস দইয়ের মিশ্রণে ডুবিয়ে নিন। দেখবেন দু’দিকে সমস্ত মশলা এবং সব্জি যেন ভাল ভাবে লেগে থাকে।
এ বার একটি লোহার চাটু বা ননস্টিক প্যানে ঘি লাগিয়ে তার উপর পাউরুটির দইয়ের মিশ্রণে ডোবানো স্লাইস দিয়ে দিন। এক পিঠ ভাজার পরে সোনালি রং ধরলে উল্টে নিয়ে আর এক পিঠ একই ভাবে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে পাউরুটির দই টোস্ট।
পাউরুটির দই টোস্ট যে হেতু সামান্য টক ঝাল মিষ্টি স্বাদের, তাই এর সঙ্গে টম্যাটো সস্ বা গ্রিন চাটনি দিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।
চাইলে দু’টি পাউরুটির দই টোস্ট এর মাঝে শসা, চিজ়, পছন্দের চাটনি এবং মশলা ছড়িয়ে স্যান্ডউইচও বানিয়ে নিতে পারেন।
এই টোস্ট প্রাতরাশ বা জলখাবার হিসাবে গরম গরম যেমন খাওয়া যেতে পারে, তেমনই ছোটদের বা বড়দের টিফিনবাক্সেও প্যাক করে দিতে পারেন।