(বাঁ দিকে) অরবিন্দ কেজরীওয়াল, রাহুল গান্ধী (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।
কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা পর্বের মধ্যেই হরিয়ানার আসন্ন বিধানসভা ভোটে প্রথম দফার প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করল আম আদমি পার্টি (আপ)। সে রাজ্যের ৯০টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ২০টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়ালের দল। এর ফলে হরিয়ানায় ‘ইন্ডিয়া’র দুই শরিকের সমঝোতার সম্ভাবনা কার্যত বন্ধ হয়ে গেল বলেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন।
আসন সমঝোতা ঘিরে টানাপড়েনের আবহেই সোমবার হরিয়ানা বিজেপির সহ-সভাপতি জিএল শর্মা কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। গুরুগ্রাম এলাকায় ব্রাহ্মণ জনগোষ্ঠীর প্রভাবশালী এই নেতার দলত্যাগ বিজেপির অ-জাঠ ভোটব্যাঙ্কে ফাটল ধরাবে বলে দাবি কংগ্রেসের। সূত্রের খবর, হরিয়ানার ৯০টি বিধানসভা আসনের মধ্যে আপ অন্তত ১০টি চেয়েছিল। কংগ্রেস সাতটির বেশি ছাড়তে নারাজ। এই পরিস্থিতিতে একক শক্তিতে কেজরীওয়ালের দল ৭০-৭৫টি আসনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আপ সাংসদ সঞ্জয় সিংহ সোমবার বলেন, ‘‘আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনায় ক্রমাগত কালক্ষেপ হচ্ছে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। এর পরে তো আমরা মনোনয়নই জমা দিতে পারব না। আপের হরিয়ানা শাখার সভাপতি সুশীল গুপ্ত সোমবার প্রথম দফার প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করে বলেন, ‘‘যদি শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতা না হয়, তা হলে আমরা ৯০টি আসনেই লড়তে পারি।’ প্রসঙ্গত, এ বারের লোকসভা ভোটে বিজেপি শাসিত হরিয়ানায় সমঝোতা করেছিল কংগ্রেস এবং আপ। সে রাজ্যের ১০টি আসনের মধ্যে একটি কেজরীকে ছেড়ে ন’টিতে লড়েছিল রাহুল গান্ধী-মল্লিকার্জুন খড়্গের দল। তার মধ্যে পাঁচটিতে জেতেন ‘হাত’ প্রতীকের প্রার্থীরা। বাকি পাঁচটি যায় ‘পদ্মে’র ঝুলিতে। ২০১৯ সালে ১০টি আসনেই জিতেছিল বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী গত সপ্তাহে আপের সঙ্গে সমঝোতার বার্তা দিয়েছিলেন।