Jaya Bachchan

‘নাটু নাটু’ নিয়ে টানাটানি সংসদেও, লড়াই দক্ষিণ বনাম ভারতের, সাফল্য শুধু তোমাদের না আমাদেরও?

অস্কারের ম়ঞ্চে সেরা মৌলিক গানের বিভাগের শিরোপা অর্জন করেছেন ‘নাটু নাটু’। তার পরেও থেকে গিয়েছে ‘বিতর্ক’। আঞ্চলিক ছবি কি আদৌ গোটা দেশের পরিচায়ক? সংসদে মুখ খুললেন জয়া বচ্চন।

Advertisement
সংবাদ সংস্থা
মুম্বই শেষ আপডেট: ১৫ মার্চ ২০২৩ ১৭:২৬
Jaya Bachchan calls Naatu Naatu an Indian song in a debated sparked in parliament

অস্কার জয়ের পরেও ‘আঞ্চলিকতা’ বিতর্কের মুখে ‘নাটু নাটু’। — ফাইল চিত্র।

বিশ্বসিনেমার অন্যতম সেরা মঞ্চে স্বীকৃতি পেয়েছে এসএস রাজামৌলির ‘আরআরআর’ ছবির গান ‘নাটু নাটু’। রিয়ানা, লেডি গাগার মতো তাবড় পপ তারকাদের টেক্কা দিয়ে মৌলিক গানের বিভাগে সেরার শিরোপা অর্জন করেছে এমএম কীরাবাণী পরিচালিত, রাহুল সিপলিগঞ্জ ও কালা ভৈরবের গাওয়া এই গান। অস্কার জিতে আপ্লুত গোটা ‘আরআরআর’ টিম। ‘‘এই জয় ভারতের জয়, ভারতীয় সিনেমার জয়।’’ সমাজমাধ্যমে লেখেন ‘আরআরআর’ তারকা রাম চরণ, পরিচালক রাজামৌলি, সঙ্গীত পরিচালক কীরাবাণী-সহ আরও অনেকে। দক্ষিণী ছবি হলেও গোটা দেশের হয়ে এই সম্মান জিতেছেন তাঁরা, দাবি ‘আরআরআর’-এর সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের। তবে কি দক্ষিণী ছবি কি গোটা দেশের সিনেমার পরিচায়ক হতে পারে? মঙ্গলবার সংসদে এই নিয়ে শুরু বিতর্ক। রাজ্যসভায় এই বিতর্ক চলাকালীন মুখ খুললেন বর্ষীয়ান বলিউড অভিনেত্রী ও সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জয়া বচ্চন।

Advertisement
Jaya Bachchan calls Naatu Naatu an Indian song in a debated sparked in parliament

রাজ্যসভায় বিতর্ক চলাকালীন মুখ খুললেন বর্ষীয়ান বলিউড অভিনেত্রী ও সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জয়া বচ্চন। ছবি: সংসদ টিভি।

অস্কারের মঞ্চে ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছে ‘দ্য এলিফ্যান্ট হুইস্পারার্স’ ও ‘নাটু নাটু’। তবে আঞ্চলিক ছবিকে গোটা দেশের পরিচায়ক হিসাবে মান্যতা দেওয়া নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু কানাঘুষো থেকেই গিয়েছে। সংসদে সেই প্রসঙ্গ ওঠায় এ বিষয়ে মুখ খোলেন অভিনেত্রী ও রাজনীতিক জয়া বচ্চন। তাঁর মতে, ‘‘সিনেমার সঙ্গে যুক্ত শিল্পীরা আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অ্যাম্বাসাডর।’’ জয়া আরও বলেন, ‘‘উত্তর ভারতের ছবি হোক বা দক্ষিণ ভারতের, পূর্ব হোক বা পশ্চিম— গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এটা যে, এগুলো ভারতীয় ছবি। সিনেমাজগতের সদস্য হয়ে আমি এখানে দাঁড়িয়ে গর্ববোধ করি তাঁদের জন্য, যাঁরা বিশ্বের দরবারে আমাদের দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন। সত্যজিৎ রায়ের হাত ধরে যে পথচলা শুরু, সেই ঐতিহ্য অব্যাহত রেখেছেন।’’ এখানেই থামেননি ‘ধন্যি মেয়ে’। জয়া আরও বলেন, ‘‘আমি রাজামৌলিকেও খুব ভাল করে চিনি। ওঁর বাবা কেভি বিজয়েন্দ্র প্রসাদ, উনি শুধু চিত্রনাট্যকার নন, উনি লেখক ও রাজ্যসভার একজন সদস্যও। এবং তা আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের।’’

চলতি বছরে দক্ষিণী ছবির হাত ধরে বিশ্বমঞ্চে সম্মানিত হয়েছে ভারত। তার মাঝেও বার বার চর্চায়ে উঠে এসেছে বলিউড ও দক্ষিণী ছবির দ্বন্দ্ব। তবে আঞ্চলিকতা ভুলে আগামী দিনে পশ্চিমী দুনিয়ার সামনে আরও পরিচিতি পাবেন ভারতীয় শিল্পীরা, আশা বর্ষীয়ান অভিনেত্রীর। ‘‘সিনেমার বাজার এখানেই, আমেরিকায় নয়,’’ এ কথা বলে বক্তব্যে ইতি টানেন জয়া।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
আরও পড়ুন
Advertisement