— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
আবার প্রকাশ্য রাস্তায় গুলি চলার ঘটনা বাংলায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুও হল এক জনের। শুক্রবার বিকেল থেকে সে নিয়ে শোরগোল শুরু হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে। তৃণমূলের দাবি, নিহত যুবক তাদের দলের সক্রিয় কর্মী। ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংহের ঘনিষ্ঠ কয়েক জন এই খুনে যুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে খুনের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রের খবর, মৃতের নাম সন্তোষ যাদব। বয়স ৩৫ বছর। শুক্রবার বিকেলে নৈহাটির গৌরীপুর এলাকায় তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় জনা কয়েক দুষ্কৃতী। গুলিবিদ্ধ সন্তোষকে উদ্ধার করে নৈহাটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে। এর মধ্যে ঘটনাস্থলে যান ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক। তিনি এই ঘটনার সঙ্গে সরাসরি প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন-যোগের অভিযোগ করেন।সাংসদ এ-ও জানান, থারুয়া রাজেশ নামে অর্জুনের ‘ঘনিষ্ঠ’ এক ব্যক্তি বাইকে করে এসে সন্তোষকে গুলি করে পালিয়েছেন। পুলিশ তাঁর খোঁজ করছে।
সাংসদ পার্থ বলেন, ‘‘আমার কুড়ি জনকে মেরে ফেলতে পারেন অর্জুন সিংহ। কিন্তু মানুষ আর ওঁকে জায়গা দেবে না।’’ তিনি বলেন, ‘‘অর্জুন বুঝতে পেরেছেন তিনি জনগণের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। ভাটপাড়ায় অর্জুন এবং তাঁর পুত্রের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। ওঁরা বুঝতে পেরেছেন যে, ভাটপাড়া থেকে ভোটে যিনি-ই দাঁড়ান, আর জিততে পারবেন না। তাই এ সব হামলা করছেন।’’
অন্য দিকে, পার্থের অভিযোগ উড়িয়ে দিলেও সন্তোষকে যে তিনি চিনতেন, পরোক্ষে সেটা জানিয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর এক পরিচিতের উপর বছর দেড়েক আগে হামলা করেছিলেন সন্তোষ। থানায় অভিযোগও জমা হয়েছিল। তবে এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর বা তাঁর বর্তমান দল বিজেপির কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন অর্জুন।