প্লাস্টিকের কৌটোয় খাবার জিনিস রাখেন। কখন সেই কৌটো বাদ দেওয়া দরকার? ছবি:ফ্রিপিক।
কাচের জিনিস হাত থেকে পড়লেই ভাঙবে। তার চেয়ে বরং প্লাস্টিক ভাল, মনে করেন অনেকেই। প্লাস্টিকের ক্ষতিকর দিক থাকলেও, ব্যবহারের সুবিধার জন্য হেঁশেলের চাল, ডাল রাখা থেকে ফ্রিজে মশলাপাতি, খাবার ভরে রাখার জন্য অনেকেই প্লাস্টিকের কৌটো ব্যবহার করেন। কিন্তু কখন বুঝবেন সেই কৌটো ফেলে দেওয়া দরকার?
১। অনেক সময় প্লাস্টিকের কৌটো ফেটে যায়, বার বার ব্যবহারে রং চটে যায়। তুবড়েও যায় কখনও কখনও। এ রকম কৌটো প্রথমেই ফেলে দিতে হবে। এতে ব্যাক্টেরিয়া, জীবাণু বাসা বাঁধতে পারে।
২। কোনও কৌটোয় দিনের পর দিন মশলা রাখলে, পরে দেখা যায় সাবান দিলেও সেই গন্ধ যাচ্ছে না। কখনও কৌটোর রং বদলে যায় খাবারের তেল, হলুদ লেগে। এ রকম গন্ধ, রং বদলে যাওয়া কৌটো ব্যবহার না করে ফেলে দেওয়া দরকার।
৩। প্লাস্টিকের কৌটোর ঢাকা হারিয়ে গেলে, কেউ কেউ অন্য একটা কিছু চাপা দিয়ে তাতে জিনিস রাখেন। আবার কৌটোর ঢাকা অনেক সময় ঠিকমতো পড়ে না। এই সমস্ত কৌটোয় খাবার জিনিস রাখলে তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। বিশেষত রান্না করা খাবার এতে না রাখাই ভাল।
৪। প্লাস্টিকের কৌটো মোটামুটি ২-৩ বছরের বেশি পুরনো হয়ে গেলেই সেগুলি বাদ দিয়ে দেওয়া উচিত। ঘষাঘষির ফলে কৌটোয় অনেক সময় দাগ হয়ে যায়। এগুলিও ব্যবহার না করে ফেলে দিন।
৫। যে প্লাস্টিকের কৌটোয় খাবার রাখছেন সেটি বিপিএ-মুক্ত কি না দেখে নিন। সাঙ্কেতিক ভাবে অনেক সময় তা বোঝানো থাকে। কখনও কৌটোয় থাকা স্টিকারে লিখে দেওয়া থাকে বিপিএ-মুক্ত বলে। বিপিএ হল বিসফেলন-এ নামক রাসায়নিক। প্লাস্টিকের কৌটোয় গরম খাবার রাখলে বা কৌটো গরম করলে অনেক সময় স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর এই রাসায়নিকটি তৈরি হয় বা খাবারে মেশে।