ইশাকে নিয়ে প্রশ্ন বরখার উত্তরে কী বললেন ইন্দ্রনীল? ছবি: সংগৃহীত।
বছর চারেক আগে ‘তরুলতার ভূত’ ছবিতে প্রথম বার জুটি বেঁধেছিলেন ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত ও ইশা সাহা। প্রথম ছবি থেকেই তাঁদের নিয়ে প্রেমের গুঞ্জন। সে সময় শোনা গিয়েছিল, সেটের মধ্যেই নাকি নায়িকার জন্মদিন পালন করেছিলেন ইন্দ্রনীল। তার কিছু দিনের মধ্যেই স্ত্রী বরখা বিস্তের সঙ্গে দাম্পত্যে ইতি টানেন অভিনেতা। প্রায় ১৩ বছরের দাম্পত্য তাঁদের। জুটি হিসাবে চর্চিত ছিলেন তাঁরা। ইন্দ্রনীল ও বরখা একে অপরের জন্য একেবারে উপযুক্ত, এমনই শোনা যেত ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলে। কিন্তু আচমকাই তাঁদের সুখের সংসারে চিড় ধরে। প্রায় চার বছর হল আলাদা থাকছেন বরখা-ইন্দ্রনীল। পরকীয়ার অভিযোগ ছিল ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বরখা জানিয়েছেন, তিনি নাকি প্রশ্ন করেন ইশাকে নিয়ে। জবাবে ইন্দ্রনীল যা বলেছিলেন, তাতে সন্তুষ্ট হননি অভিনেত্রী।
এত দিন সম্পর্কে ভাঙন নিয়ে মৌনী বজায় রাখলেও সম্প্রতি বরখা নিজের দাম্পত্য নিয়ে মুখ খুলেছেন। ‘খাদান’ ছবির মাধ্যমে বাংলা ছবিতে বেশ অনেক বছর পর প্রত্যাবর্তন হল বরখার। এক সময় ইন্দ্রনীলকে ঘিরে আবর্তিত ছিল বরখার জীবন। তবে এখন নিজেকে গুছিয়ে নিতে শিখে গিয়েছেন। যদিও বিয়ে বাঁচানোর সব রকম চেষ্টা করেছিলেন। কোনও কিছু বাকি রাখেননি তিনি। তবে ইন্দ্রনীলই নাকি আর চাননি সম্পর্কটা রাখতে। বরখার কথায়, ‘‘বিয়ের পর চার বছরের মতো আমরা দারুণ একটা সম্পর্কে ছিলাম। কিন্তু তার পর থেকে ক্রমাগত আমাকে সবতেই ছোট মনে করা হত। আমি যদি সব কিছুতেই নিজেকে কম ভাবতাম তা হলে সব কিছু ঠিক থাকত। আসলে বিশ্বাসঘাতকতা, প্রতারণা তো নিজের পছন্দের মানুষই করে।’’
টলিপাড়ার যে অভিনেত্রীর সঙ্গে ইন্দ্রনীলের নাম জড়ায় তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন করায় মনের মতো উত্তর পাননি বরখা। বরখার কথায়, ‘‘ইন্দ্রনীল একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন— এখন হয়তো সেই সিদ্ধান্তকে খাড়া করানোর নেপথ্যে তিনি একশোটা কারণ দিতে পারেন। যেটা তিনি তাঁর কাজের জন্য করেছেন।’’ এ দিকে ইশা বরাবরই এই সম্পর্কের কথা উড়িয়ে দিয়েছেন। অন্য দিকে ইন্দ্রনীল তাঁর বিয়ে ভেঙে যাওয়ার নেপথ্য কারণ নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে চান না, এমনই জানিয়েছিলেন। পরবর্তী কালে নিজের অবস্থান বদল করেন কি না সেটা ভবিষ্যৎ বলবে।