আল পাচিনো আর লুসিলা সোলা।
চিরকুমার তাঁকে বলা যাবে না! শুধু এত দিন পর্যন্ত বিয়েটা করেননি— এই যা! তবে, গত মার্চে সে ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বটে আমেরিকার বর্ষীয়ান অভিনেতা আল পাচিনো। কিন্তু পুরুষ চাইলেও কি আর সব ব্যাপারে দেবতার আশীর্বাদ পায়? আল পাচিনো-ও পেলেন না। ৩৬ বছরের অভিনেত্রী লুসিলা সোলার সঙ্গে প্রায় চার বছরের সম্পর্কে হঠাত্ই ভাঁটা পড়ল তাঁর। আর সেই সঙ্গেই ভেঙে গেল বিয়ের স্বপ্ন।
তবে, বিয়ে না হলেও নারীসঙ্গ থেকে আদৌ বঞ্চিত নন পাচিনো। ১৯৯২-তে মুক্তি পাওয়া ‘সেন্ট অফ আ ওম্যান’ ছবির অন্ধ ‘লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফ্র্যাঙ্ক স্লেড’ অনায়াসেই বলে দিতে পারতেন তাঁর আশেপাশে থাকা মহিলাদের মনের কথা। সেই চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে আল পাচিনোও বোধহয় ক্ষমতাটা আয়ত্তে এনেছিলেন। না হলে একের পর এক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তেন না বোধহয়।
তবে বিয়ে না করেও তিন সন্তানের দায়িত্ব ভাগ করে নিয়েছেন পাচিনো, তাঁর ‘এক্স’ গার্লফ্রেন্ডদের সঙ্গে। পঁচিশ বছরের বড় মেয়ে জুলি মেরির মা হলেন অভিনেতার অ্যাক্টিং কোচ জ্যান ট্যারেন্ট। এবং যমজ ছেলেমেয়ে অ্যান্টন জেমস ও অলিভিয়া রোজের মা অভিনেত্রী বেভার্লি ডি’ অ্যাঞ্জেলো।
কিন্তু, সবাই মিলে এক ছাদের তলায় থাকাটা হয়নি! পারিবারিক সুখের জন্যই তাই এ বার লুসিলাকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ওই, পরিবার হতে হতেও হল না আ! পঁচাত্তরের ‘যুবক’ তাই ভাঙা মন নিয়েই ঘুরে বেড়াচ্ছেন এখন।