—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা ১০ জন ক্রিকেটার এবং সেই লিগের চারটি দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ উঠল। যে কারণে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ এখন আতশকাচের তলায়।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের আটটি ম্যাচ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে তদন্তও শুরু হয়েছে। যে ১০ জন ক্রিকেটারের উপর সন্দেহ রয়েছে তাঁদের মধ্যে ছ’জন বাংলাদেশের হয়ে খেলেছেন। দু’জন শুধু ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেছেন। আর দু’জন বিদেশি ক্রিকেটার। যে চারটি দলের উপর সন্দেহ, তারা হল দুর্বার রাজশাহী, ঢাকা ক্যাপিটালস, সিলেট স্ট্রাইকার্স এবং চট্টগ্রাম কিংস। এই দলগুলির ম্যাচ নিয়েই সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
কোন ঘটনায় সন্দেহ তৈরি হয়েছে? কোনও কোনও বোলার পর পর তিনটি নো, ওয়াইড বল করেছেন। কোনও ম্যাচের প্রথম একাদশ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। কোনও কোনও ম্যাচে আবার ব্যাটারদের মন্থর ব্যাটিং করতে দেখা গিয়েছে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে সাতটি দল খেলে। প্রতিটি দলেই এক জন করে দুর্নীতিদমন শাখার আধিকারিক রয়েছেন। ম্যাচ গড়াপেটা আটকানোর জন্যই তাঁদের রাখা হয়েছে। যদিও সেই সব ব্যক্তিদের বেতন দেয় দলগুলিই। তাই সেই আধিকারিকেরা কতটা স্বাধীন ভাবে কাজ করতে পারে তা নিয়েও সন্দেহ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ বোর্ডের এক কর্তা বলেন, “বিষয়টা বোর্ডের সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী এবং সভাপতি ফারুক আহমেদের নজর আনা হয়েছে। দুর্নীতিদমন শাখার আধিকারিকেরা দলের সঙ্গে রয়েছেন। তাঁরাও দেখছেন।”